ইঞ্জিনটি ৮.৫ বিএইচপি @৭০০০ আরপিএম ম্যাক্স পাওয়ার উৎপন্ন করতে সক্ষম। এর পাশাপাশি বাইকটি ৯.৮১ নিউটন মিটার @৫৫০০ আরপিএম ম্যাক্স টর্ক উৎপন্ন করতে পারে। এই রেঞ্জের অন্যান্য বাইকগুলোর সাথে এই বাইকটিকে তুলনা করলে বলা যায় বাইকটির ইঞ্জিন পারফরম্যান্স বেশ ভালো। বাইকটিতে আরও সংযুক্ত আছে ৫ম গিয়ার। যেটিকে বাজাজ নাম দিয়েছে “এইচ গিয়ার”। এই ৫ম গিয়ার বাইকটিকে যেমন স্মুথ ট্রান্সমিশনে সাহায্য করে ঠিক তেমনি এটাও প্রমাণ করে যে বাইকটির ইঞ্জিন বেশ স্ট্রং। এছাড়াও বাইকটি প্রতি ঘণ্টায় ৯০ কিমি টপ স্পিড দিতে সক্ষম এবং প্রতি লিটারে ৪৫ কিমি মাইলেজ দিতে পারে। বাইকটিতে বেসিক ওয়েট মাল্টি ক্লাচ সংযুক্ত আছে। স্টার্টিং এর ক্ষেত্রে বাইকটিতে ইলেক্ট্রিক এবং কিক-স্টার্ট, দুটি অপশনই দেওয়া রয়েছে। ব্রেক ও টায়ার সম্পর্কে বলা যায়, বাইকটির ব্রেক সেটআপ বেশ সুন্দর। সামনে ২৪০ মিমি এন্টি-স্কিড সিঙ্গেল ডিস্ক ব্রেক এবং পেছনে ১১০ মিমি ড্রাম ব্রেক সংযুক্ত করা হয়েছে। সামনের ব্রেকের রেসপন্স বেশ ভালো কিন্তু পেছনের ব্রেকের রেসপন্স তেমন সন্তোষজনক নয়। বাইকটির সামনে ও পেছনে ৮০/১০০- ১৭ এবং এই সাইজের অ্যালয় হুইল বেজের টিউবলেস টায়ার সংযুক্ত করা হয়েছে। বাইকের ১১০ সিসির টায়ারগুলো ঠিক আছে, তবে ওভারঅল কন্ট্রোলিং এবং ব্যালেন্স আরও ভালো হতো যদি টায়ারগুলো আরও মোটা হতো। সাসপেনশনের দিকে, বাজাজ প্লাটিনা ১১০ এইচ গিয়ার বাইকটির সামনে টেলিস্কোপিক ফর্ক সাসপেনশন এবং পেছনে টুইন শক, স্প্রিং-লোডেড গ্যাস ফিল ্ড রিয়ার সাসপেনশন সংযুক্ত আছে। সাসপেনশন দুটির রেসপন্স বেশ ভালো। বিশেষ করে পেছনের সাসপেনশনের রেসপন্স ভালো হওয়ায় উঁচু-নিচু, ভাঙ্গা রাস্তায়ও বেশ কমফোর্টেবলি বাইকটি রাইড করা যায়। বাজাজ প্লাটিনা ১১০ সিসি দাম বাংলাদেশ ২০২৪

বাজাজ প্লাটিনা ১১০ সিসি দাম বাংলাদেশ ২০২৪

আপনি যদি বাজাজ প্লাটিনা ১১০ সিসি দাম বাংলাদেশ ২০২৪ জানতে চান? তাহলে আপনার জন্য লেখাটি অবশ্যই একবার পড়বেন। ইন্ডিয়ান কোম্পানি বাজাজ মোটরসাইকেলের জগতে একটি পরিচিত এবং জনপ্রিয় নাম হল বাজাজ প্লাটিনা। এই মোটরসাইকেল ব্র্যান্ড দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম জায়গায় অত্যন্ত জনপ্রিয়। বাজাজের এই মোটরসাইকেলগুলি সস্তায় উচ্চ মানের কমিউটার বাইক প্রদানের জন্য সুপারিশ করা হয়। বাজাজ প্লাটিনা ১১০ এইচ গিয়ার একটি প্রমিনেন্ট উদাহরণ। বাজাজ প্লাটিনা ১১০ এইচ গিয়ার একটি বিশেষ মোটরসাইকেল। এটির বিশেষত্ব হলো এতে সংযুক্ত করা হয়েছে “এইচ গিয়ার” নামের পাঁচটি গিয়ার।

বাজাজ প্লাটিনা ১১০ এইচ গিয়ারের সম্পর্কে এক নজরে:

বৈশিষ্ট্যতথ্য
ইঞ্জিন ক্যাপাসিটি১১০ সিসি
পাওয়ার৮.৫ বিএইচপি @৭০০০ আরপিএম
টর্ক৯.৮১ নিউটন মিটার @৫৫০০ আরপিএম
গিয়ার৫ম গিয়ার
ফুয়েল ধারণ ক্ষমতা১১ লিটার
ব্রেকডিস্ক ব্রেক (সামনে) এবং ড্রাম ব্রেক (পিছনে)
বাজাজ ডিসকভার ১১০ সিসি দাম ২০২৩

আমি সম্পূর্ণ তথ্য এবং টেবিল তৈরির জন্য সহায়তা করতে চেষ্টা করবো।

বাজাজ প্লাটিনা সিরিজের এই বাইকটি খুব স্মার্ট লুক দেখায়। বাজাজ প্লাটিনা সিরিজে এই বাইকটি অন্যান্য লঞ্চগুলির মধ্যে বেশ আকর্ষনীয় এবং উন্নত কোয়ালিটি দেখা যায়।বাইকটিতে ১১৫.৪৫ সিসির পাওয়ারফুল ইঞ্জিন সংযুক্ত করা হয়েছে, যা ৪ স্ট্রোক বিশিষ্ট এবং সিঙ্গেল সিলিন্ডারের সাথে এয়ার কুল্ড। ইঞ্জিনটি ৮.৫ বিএইচপি @৭০০০ আরপিএম ম্যাক্স পাওয়ার প্রদান করতে সক্ষম। এর পাশাপাশি বাইকটি ৯.৮১ নিউটন মিটার @৫৫০০ আরপিএম ম্যাক্স টর্ক উৎপন্ন করতে পারে। এই রেঞ্জের অন্যান্য বাইকগুলোর সাথে তুলনা করলে বলা যায় বাইকটির ইঞ্জিন পারফরম্যান্স খুব ভালো।

বাইকটির ৫ স্পিড গিয়ারবক্স এবং বেসিক ওয়েট মাল্টি-প্লেট ক্লাচ সহ স্মুথ ট্রান্সমিশন প্রদানে সহায়ক। এর ইঞ্জিন টপ স্পিড ৯০ কিমি/ঘণ্টা এবং ৪৫ কিমি/লিটার মাইলেজ দেতে সক্ষম। ইঞ্জিনটির পাওয়ার ডেলিভারি এবং ওভারঅল পারফরম্যান্স বেশ ভালো।বাজাজ প্লাটিনা ১১০ এইচ গিয়ারের ফ্রন্টে অ্যান্টি-স্কিড ডিস্ক ব্রেক এবং পেছনে ড্রাম ব্রেক সংযুক্ত আছে। বাইকটির ফ্রন্টে টেলিস্কোপিক ফর্ক সাসপেনশন এবং পেছনে টুইন শক, স্প্রিং লোডেড রিয়ার সাসপেনশন সহ সাসপেনশনগুলির রেসপন্স বেশ ভালো হওয়ায় বাইকটি বিভিন্ন ধরণের রাস্তায় সহজে চলার জন্য উপযোগী।

বাজাজ প্লাটিনা ১১০ এইচ গিয়ারের গড় ওজন ১২২ কেজি। বাইকটির গ্রাউন্ড ক্লিয়ারেন্স ২০০ মিমি, যা সব ধরণের রাস্তায় সহজে চলার সুযোগ সৃষ্টি করে। বাইকটির ফুয়েল ট্যাঙ্কের ধারণ ক্ষমতা বেশ ভালো, সর্বাধিক ১১ লিটার পর্যন্ত ফুয়েল ধারণ করতে সক্ষম। বাজাজ প্লাটিনা ১১০ এইচ গিয়ার বাংলাদেশে লাল, কালো এবং নীল তিনটি আকর্ষণীয় রঙে উপলব্ধ। আশা করি আমাদের বাজাজ প্লাটিনা ১১০ এইচ গিয়ার রিভিউ আপনার জন্য ব্যাপক ধারণা সৃষ্টি করবে। বাজাজ প্লাটিনা ১১০ এইচ গিয়ার বাইকটি ১১০ সিসি সেগমেন্টের একটি অসাধারণ বাইক। এটি দেখতে বেশ ডিসেন্ট এবং স্মার্ট।

বাইকটির সামনে ৩৫/৩৫ ওয়াটের হ্যালোজেন লাইট রয়েছে, এবং এর সুইফ্ট টেইল ল্যাম্প এবং সাইড ইন্ডিকেটরে হ্যালোজেন বাল্ব সংযুক্ত করা হয়েছে। বাইকটির ফুয়েল ট্যাঙ্ক ধারণ ক্ষমতা খুব ভালো। ট্যাঙ্কটি ১১ লিটার সর্বাধিক ফুয়েল ধারণ করতে সক্ষম এবং একবার ট্যাঙ্কটি ফুল করলে আপনি অনেক দূর ভ্রমণ করতে পারবেন।বাইকটির ইনফরমেশন ক্লাস্টার সম্পূর্ণ অ্যানালগ এবং অত্যন্ত ব্যবহারকারী-মানসহ। এতে অ্যানালগ ট্যাকোমিটার, ট্রিপ মিটার, স্পিডেও ব্যালেন্স রাখতে সক্ষম এবং আমাদের দেশের যেকোনো ধরণের রাস্তায় চলার জন্য এটি উপযোগী।

১১০ সিসি সেগমেন্টের বাজাজ প্লাটিনা ১১০ এইচ গিয়ার বাইকটি বাংলাদেশের বাজারে কালো, লাল এবং নীল এই তিনটি আকর্ষণীয় কালারে পাওয়া যাচ্ছে।

ইঞ্জিনে ১১৫.৪৫ সিসির পাওয়ারফুল ইঞ্জিন সংযুক্ত করা হয়েছে, যা ৪ স্ট্রোক, এয়ার কুল্ড সিঙ্গেল সিলিন্ডার, কার্বুরেটর ইঞ্জিন। ইঞ্জিনটি ৮.৫ বিএইচপি @৭০০০ আরপিএম ম্যাক্স পাওয়ার উৎপন্ন করতে সক্ষম। এর পাশাপাশি বাইকটি ৯.৮১ নিউটন মিটার @৫৫০০ আরপিএম ম্যাক্স টর্ক উৎপন্ন করতে পারে। এই রেঞ্জের অন্যান্য বাইকগুলোর সাথে এই বাইকটির ইঞ্জিন পারফরম্যান্স বেশ ভালো। বাইকটিতে আরও সংযুক্ত আছে ৫ম গিয়ার। যেটিকে বাজাজ নাম দিয়েছে “এইচ গিয়ার”। এই ৫ম গিয়ার বাইকটিকে স্মুথ ট্রান্সমিশনে সাহায্য করে এবং বাইকটির ইঞ্জিন বেশ স্ট্রং প্রমাণ করে। বাইকটি প্রতি ঘণ্টায় ৯০ কিমি টপ স্পিড দিতে সক্ষম এবং প্রতি লিটারে ৪৫ কিমি মাইলেজ দিতে পারে।

ইঞ্জিনটি ৮.৫ বিএইচপি @৭০০০ আরপিএম ম্যাক্স পাওয়ার উৎপন্ন করতে সক্ষম। এর পাশাপাশি বাইকটি ৯.৮১ নিউটন মিটার @৫৫০০ আরপিএম ম্যাক্স টর্ক উৎপন্ন করতে পারে। এই রেঞ্জের অন্যান্য বাইকগুলোর সাথে এই বাইকটিকে তুলনা করলে বলা যায় বাইকটির ইঞ্জিন পারফরম্যান্স বেশ ভালো। বাইকটিতে আরও সংযুক্ত আছে ৫ম গিয়ার। যেটিকে বাজাজ নাম দিয়েছে “এইচ গিয়ার”। এই ৫ম গিয়ার বাইকটিকে যেমন স্মুথ ট্রান্সমিশনে সাহায্য করে ঠিক তেমনি এটাও প্রমাণ করে যে বাইকটির ইঞ্জিন বেশ স্ট্রং। এছাড়াও বাইকটি প্রতি ঘণ্টায় ৯০ কিমি টপ স্পিড দিতে সক্ষম এবং প্রতি লিটারে ৪৫ কিমি মাইলেজ দিতে পারে।বাইকটিতে বেসিক ওয়েট মাল্টি ক্লাচ সংযুক্ত আছে। স্টার্টিং এর ক্ষেত্রে বাইকটিতে ইলেক্ট্রিক এবং কিক-স্টার্ট, দুটি অপশনই দেওয়া রয়েছে।

ব্রেক ও টায়ার সম্পর্কে বলা যায়, বাইকটির ব্রেক সেটআপ বেশ সুন্দর। সামনে ২৪০ মিমি এন্টি-স্কিড সিঙ্গেল ডিস্ক ব্রেক এবং পেছনে ১১০ মিমি ড্রাম ব্রেক সংযুক্ত করা হয়েছে। সামনের ব্রেকের রেসপন্স বেশ ভালো কিন্তু পেছনের ব্রেকের রেসপন্স তেমন সন্তোষজনক নয়। বাইকটির সামনে ও পেছনে ৮০/১০০- ১৭ এবং এই সাইজের অ্যালয় হুইল বেজের টিউবলেস টায়ার সংযুক্ত করা হয়েছে। বাইকের ১১০ সিসির টায়ারগুলো ঠিক আছে, তবে ওভারঅল কন্ট্রোলিং এবং ব্যালেন্স আরও ভালো হতো যদি টায়ারগুলো আরও মোটা হতো।

সাসপেনশনের দিকে, বাজাজ প্লাটিনা ১১০ এইচ গিয়ার বাইকটির সামনে টেলিস্কোপিক ফর্ক সাসপেনশন এবং পেছনে টুইন শক, স্প্রিং-লোডেড গ্যাস ফিল্ড রিয়ার সাসপেনশন সংযুক্ত আছে। সাসপেনশন দুটির রেসপন্স বেশ ভালো। বিশেষ করে পেছনের সাসপেনশনের রেসপন্স ভালো হওয়ায় উঁচু-নিচু, ভাঙ্গা রাস্তায়ও বেশ কমফোর্টেবলি বাইকটি রাইড করা যায়।

বাজাজ প্লাটিনা ১১০ সিসি দাম বাংলাদেশ ২০২৪

বাজাজ প্লাটিনা ১১০ এইচ গিয়ার বাইকটির বাংলাদেশের অফিসিয়াল দাম ৳ ১২৮,৫০০ টাকা। এটি একটি কার্যকর এবং মূল্যবান বাইক যা দামের সাথে সাথে গুণের দিক থেকেও খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

www.PDF Archive BD.Com

এক্সপার্ট রিভিউ: স্টার রেটিং ৭ আউট অব ১০।

Similar Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *